ভূমিকা: অর্থনীতির মৃত্যুর খেলা নয়, নতুন প্রাণের সন্ধান ইতিহাস বলে — অধিকাংশ সময় অর্থনীতি ছিল স্থবির; কোনও দেশ বা সমাজ কেবল কিছু সময় বৃদ্ধির সুবাদে এগিয়ে যায়, তারপর গতি থেমে যায়। কিন্তু গত ২০০ বছরের ইতিহাস এক নতুন ধারা দেখিয়েছে — এক অবিরাম প্রবৃদ্ধির যুগ, যেখানে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন চোখের সামনে অর্থনীতিকে পুনর্নবীকরণ করে। ২০২৫ সালের নোবেল কমিটি তাদের পুরস্কার দিয়েছে তাদের জন্য যারা আমাদের এই গোপন গতি ও সেই পরিবর্তনের মেকানিজমগুলো ব্যাখ্যা করেছেন — অর্থাৎ, “কেমনভাবে প্রযুক্তি ও নতুনত্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি চালায়”। জোয়েল মকির পরিচিতি জন্ম: ২৬ জুলাই ১৯৪৬, লেইতেন, নেবেল্যান্ডস তিনি পরবর্তীতে পরিবারের সঙ্গে ইস্রায়েলে বসবাস করেন এবং ওই দেশ ও যুক্তরাষ্ট্র—দুটি দেশে মেধা জোগান করেছেন শিক্ষা: • হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয়, জেরুজালেম —অর্থনীতি ও ইতিহাসে স্নাতক • ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় —অর্থনীতিতে পিএইচডি) বর্তমানে কর্মক্ষেত্র: • যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির অর্থনীতি ও ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক • এছাড়া তি...
২০২৫ সালের রসায়নে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত তিন বিজ্ঞানী—সুসুমু কিতাগাওয়া, রিচার্ড রবসন, ও ওমর এম. ইয়াঘি—তাদের যুগান্তকারী আবিষ্কারের জন্য এই সম্মান লাভ করেছেন। তারা একত্রে মেটাল-অর্গানিক ফ্রেমওয়ার্কস (MOFs) নামে নতুন ধরনের আণবিক কাঠামো উদ্ভাবন করেছেন, যা আধুনিক রসায়ন ও পরিবেশ বিজ্ঞানকে নতুন দিগন্তে নিয়ে গেছে। MOFs: আধুনিক রসায়নের নতুন দিগন্ত MOFs হল ধাতব আয়ন ও জৈব যৌগের সংমিশ্রণে গঠিত এক ধরনের স্ফটিক কাঠামো, যার মধ্যে অসংখ্য সূক্ষ্ম ছিদ্র থাকে। এই ছিদ্রগুলোতে গ্যাস, তরল বা অন্যান্য অণু প্রবাহিত হতে পারে, যা MOFs-কে একাধিক বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে ব্যবহারযোগ্য করে তোলে। নোবেলজয়ীদের জীবন ও কর্মক্ষেত্র সুসুমু কিতাগাওয়া জন্ম: ১৯৫১ সালের ৪ জুলাই, কিয়োটো, জাপান শিক্ষা: কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও পিএইচডি বর্তমান কর্মস্থল: কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয় অবদান: MOFs-এর মৌলিক কাঠামো ও বৈশিষ্ট্য নিয়ে গবেষণা করেছেন। রিচার্ড রবসন জন্ম: ১৯৩৭ সালে, গ্লাসবার্ন, যুক্তরাজ্য শিক্ষা: অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও পিএইচডি বর্তমান কর্মস্থল: মেলবোর্ন ব...
ভূমিকা রাজনৈতিক প্রতীক নির্বাচন প্রক্রিয়া একটি দেশের সাংবিধানিক ও আইনি কাঠামোর অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জাতীয় প্রতীক বা ফুলের রাজনৈতিক প্রতীক হিসেবে ব্যবহারের বিষয়ে নির্দিষ্ট বিধি-বিধান রয়েছে। বাংলাদেশে জাতীয় ফুল শাপলা রাজনৈতিক প্রতীক হিসেবে ব্যবহারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের অবস্থান স্পষ্ট। বাংলাদেশে শাপলা প্রতীকের ব্যবহার বাংলাদেশের জাতীয় ফুল, শাপলা বাংলাদেশের জাতীয় ফুল শাপলা, যা দেশের জাতীয় প্রতীক হিসেবেও ব্যবহৃত হয়, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক রাজনৈতিক প্রতীক হিসেবে ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত নয়। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে, নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করেছে যে শাপলা জাতীয় প্রতীক হিসেবে সংবিধানে সংরক্ষিত এবং এটি রাজনৈতিক দলের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। কমিশনের মতে, জাতীয় প্রতীক এবং পতাকাকে সংবিধান দ্বারা সুরক্ষিত করা হয়েছে এবং এগুলোর মর্যাদা রক্ষা করা প্রয়োজন। জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP) শাপলা প্রতীক চেয়েছিল, কিন্তু নির্বাচন কমিশন তাদের আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। কমিশন তাদের ৫০টি বিকল্প প্রতীকের তালিকা দিয়েছে, তবে শাপলা অন্তর...
Comments
Post a Comment